মি’শাকে আর দেখা যা’বে না অ’ভিনয়ে August 2, 2021 news desk অন্যান্য 0

এক কথায় টানা বিপুল সংখ্যক ছবি করে বিশ্বরেকর্ড গড়া মিশা সওদাগরকে ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ইন্ড্রাস্টির কোনো

অ’ভিনেতা টপকাতে পারেনি।এ পর্যন্ত তিনি বাংলা ভাষায় ৯ শতাধিক ছবিতে অ’ভিনয় করেছন, যা পৃথিবীর অন্য কোনো অ’ভিনেতার এক ভাষায় এতো মুভি করার সুযোগ হয়নি।এবার যেন সত্যিই হাপিয়ে উঠেছে এই খলনায়ক।

তাই বেশ কয়েক বছর ধরে অ’ভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে আসছেন মিশা সওদাগর।তবে এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই খল অ’ভিনেতা। হাতে যেসব ছবি আছে সেগুলো শেষ করে আগামী বছরই অ’ভিনয়কে বিদায় জানাবেন।

স্থায়ীভাবে আ’মেরিকায় বসবাসের সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। এ ব্যাপারে মিশা বলেন, ‘টানা কাজ করে হাঁপিয়ে উঠেছি। বলতে গেলে জীবনের পুরো সময়টা চলচ্চিত্রেই দিলাম।ভালোবাসাও পেয়েছি মানুষের। এবার একটু অবসর দরকার।

জীবনের বাকি সময়টুকু আমি আ’ল্লাহর ই’বাদত করে কা’টাতে চাই। আমা’র ভক্তদের কাছে দোয়া চাই।’ আরও পড়ুনঃএকটি পা ও একটি হাত নেই। ঘোড়ার গাড়িতে অন্যের জমি থেকে ধান বহন করে সংসার চালান নাটোরের মিজানুর রহমান (৫০)।

৩৩ বছর আগে বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনায় তার বাম হাত ও বাম পা কাটা পরে। শত চেষ্টায়ও পঙ্গুত্ব থেকে রক্ষা পাননি তিনি। তবুও থেমে নেই জীবন।একসময় ভাঙ্গুরা উপজেলায় ঘোড়ার গাড়ি চালাতেন মিজানুর।

এখন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের সাবগাড়ী গ্রামে ঘোড়ার গাড়িতে ধান বহন করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছেন। স্ত্রী ও তিন ছেলে এবং একটি প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে অন্যের জমিতে ঝুপড়ি ঘর করে বসবাস করছেন তিনি।জীবন যুদ্ধে হার না মানা

মিজানুর জাগো নিউজকে জানান তার জীবন যুদ্ধের গল্প। তিনি বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের মাদারবাড়ি গ্রামে। ১৭ বছর বয়সে একটি বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনায় বাম হাত ও বাম পা কাটা পড়ে।

আমার বাবা ছিলেন একজন অতি দরিদ্র কৃষক। অভাবের কারণে আমার সঠিক চিকিৎসাও করাতে পারেননি তখন। তারপর থেকেই শুরু হয় আমার জীবনযু–দ্ধ। আমার তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে ইয়াদুল ইসলাম (১১) আমার কাজে সহযোগিতা করে। মেজ ছেলে রাজিকুল ইসলাম (৭) প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় ও ছোট ছেলে রাজিবের বয়স ১ বছর এবং ৪ বছরের মেয়ে আজমিরা প্রতিবন্ধী।
ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে প্রতিদিন গড়ে আয় ২৫০-৩০০ টাকা আয় হয়। কোনো কোনো দিন কাজ থাকে না। শেষ সম্বল বলতে আমার তিনটি ঘোড়া ছাড়া আর কিছুই নেই।কোনো ধরনের সহায়তা পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, সরকারিভাবে কোনোরকম সহযোগিতা এখন পর্যন্ত পাইনি। তবে

আমি পরিশ্রম করে সংসার চালিয়ে নিচ্ছি কিন্তু সহযোগিতা পেলে ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা করাতে পারব।প্রতিবন্ধীত্ব আমাকে দাবিয়ে রাখতে পারেনি। কারও কাছে হাত না পেতে নিজের জীবিকার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করি। সেই থেকে এগিয়ে চলার অদম্য শক্তি নিয়ে এখনও ঘোড়ার গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *