৯ দিন ধরে চরে আটকা সেই লঞ্চ

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অভিযান-১০ ও শাহরুখ-২ লঞ্চ পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বরগুনা যাচ্ছিল। ঝালকাঠির রাজাপুরে এসে শাহরুখ-২ লঞ্চকে পাশ কাটিয়ে পেছনে ফেলে যাওয়ার সময় অভিযান-১০ লঞ্চ বিষখালী নদীর ডুবোচরে উঠে যায়।

কিন্তু স্বাভাবিক জোয়ারেও নদীতে নামাতে না পারায় ৯ দিন ধরে চরেই আটকা পড়ে আছে লঞ্চটি। এখন পূর্ণিমার জোয়ারের অপেক্ষায় লঞ্চের সংশ্লিষ্টরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৩ আগস্ট ভোরে জেলার রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়ন চরপালট গুচ্ছগ্রাম সংলগ্নে ডুবোচরে আটকা পড়ে লঞ্চ অভিযান-১০। এতে লঞ্চে থাকা ৪৩৪ জন যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েন।

১৪ আগস্ট রাতে স্বাভাবিক জোয়ারের পানি এলে নামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। ইঞ্জিনের কম্পনে উল্টো দেবে যায় লঞ্চের তলা। এখন পূর্ণিমার জোয়ারের অপেক্ষায় আছে লঞ্চের সংশ্লিষ্টরা।

অভিযান-১০ এর মাস্টার মো. মাসুদ আলম বলেন, জোয়ারের পানিতে নদী ও চর একই রকম ছিল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই লঞ্চটি ডুবোচরে উঠে যায়। যাত্রীদের ভাড়ার টাকা ফেরত দিয়ে সকালে ট্রলার ভাড়া করে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শনিবার ভোরে জোয়ারে নদীর পানি বৃদ্ধির পরে অনেক চেষ্টা করেও লঞ্চটি সরানো সম্ভব হয়নি। বরং ইঞ্জিন কম্পনের কারণে লঞ্চের তলা মাটির নিচে দেবে যায়। দু-একদিন পরেই পূর্ণিমার জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পাবে, তখন লঞ্চটি নামানো সম্ভব হতে পারে।

বড়ইয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন সুরু মিয়া বলেন, স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে লঞ্চ নদীতে নামানো সম্ভব না। দু-একদিন পর বড় জোয়ার এলে লঞ্চ নামানো সম্ভব হতে পারে। এক্ষেত্রে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা বা রুস্তমকে দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *