তিন বছরের মধ্যে বে-টার্মিনাল চালুর তোড়জোড়

২০২৪ সালের মধ্যে চালু করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে চট্টগ্রাম বন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত ‘বে-টার্মিনাল’ নির্মাণের কাজ।

এটি নির্মিত হলে নোঙর করতে পারবে ১২ মিটার ড্রাফটের বড় জাহাজ। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের চাপ কমার পাশাপাশি পণ্যের আমদানি ব্যয় কমবে, বলছেন বন্দর বিশেষজ্ঞরা।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে সাগরের তীর ধরে তৈরি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাথে যুক্ত ‘মেরিন ড্রাইভ’ ঘেঁষে ৮৭০ একর এলাকা জুড়ে চলছে বে-টার্মিনাল তৈরির কাজ।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ৯.৫ মিটার ড্রাফটের বড় জাহাজ নোঙর করতে পারে না। এছাড়া জাহাজের আসা-যাওয়ার জন্য নির্ভর করতে হয় জোয়ার-ভাটার উপর।

চট্টগ্রাম বন্দরের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার এম আরিফুর রহমান জানান, বে-টার্মিনালে এ সমস্যা থাকবে না। নোঙর করতে পারবে ১২ মিটার ড্রাফট ও ২৮০ মিটার দৈর্ঘ্যের জাহাজ।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে প্রস্তাবিত বে-টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের মধ্যে অপারেশনে যেতে চাই। বন্দরের অর্থায়নে টার্মিনালের পাশাপাশি পিপিপি টার্মিনালগুলো একই সময়ে যেন চালু হয় সে লক্ষ্যে কাজ করব’।

অবস্থানগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বে-টার্মিনাল নির্মাণে আগ্রহী চীন-ভারত ছাড়াও সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশ।
তবে, সম্প্রতি টার্মিনাল এলাকা পরিদর্শন শেষে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী জানান টার্মিনাল নির্মাণে দেশের স্বার্থ অগ্রাধিকার পাবে।

প্রায় আড়াই হাজার একর জমির উপর নির্মাণ হবে বে-টার্মিনাল। এ কারণে, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে প্রস্তাবিত বে-টার্মিনালকে বলা হচ্ছে ‘ভবিষ্যতের চট্টগ্রাম বন্দর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *