সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব ডিসেম্বরের মধ্যেই

আসছে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারি কর্মকতা কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দিতে হবে। ৩ বছর পর পর হিসাব দেয়ার বিধান থাকলেও, তা মানায় কঠোর হচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন সব সরকারি দপ্তরে পৌছে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

অস্টেলিয়ার সিডনিতে এ বিলাশবহুল বাড়িটির মালিক বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক হিসাব রক্ষণ কর্মকতা আবজাল হোসেনের। যার মাসিক বেতন কখনোই ৩৫ হাজার টাকার বেশি ছিলো না।

শুধু অস্টেলিয়ার নয়, যুক্তরাজ্যের লিঙ্কনশায়ারে রয়েছে বাড়ি। আর কানডার বাড়িটি তিনি বিক্রি করেছে ২০১৮ সালে। অস্টেলিয়ায় কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের খোঁজ পেয়েছে দুদকের দল। তবে সব সম্পদের খোঁজ এখনো মেলেনি। আবজালের দুর্নীতি গণমাধ্যমে উঠে আসার পর দুদকের তদন্তে জানা যাচ্ছে এসব তথ্য।
কানাডার বেগমপাড়ায় আমলাদের বাড়ি সব চেয়ে বেশি। খোদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছরের ডিসেম্বরে বিষয়টি খোলাসা করেছেন।

পাঁচ বছর পর পর সম্পদের হিসাব দেয়ার বিধান থাকলেও, মানছেন সরকারি কর্মকতা-কর্মচারীরা। তাই ২৪ জুলাই সম্পদের হিসাব চেয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের চিঠি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অবৈধ সম্পদের মালিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব দুদকের। তাই সম্পদের হিসেব দেয়ার প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন হলে দুদকের কাজ অনেক সহজ হবে। বিষয়টিতে স্বচ্ছতা আনতে সরকারি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের আগে দুদক কর্মকর্তা কর্মচারীরা আগে সম্পদের হিসেব দেবেন বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

নিজেদের বা সরকারের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের খোঁজ পেলেই ব্যবস্থা নেবে দুদক।

Leave a Reply

Your email address will not be published.