‘দেশী ব্রয়লার’ উদ্ভাবন, স্বাদে-গুণে অন্যন্য

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএলআরআইয়ের অন্যতম শীর্ষ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আতাউল গনি রাব্বানী। তিনি বলছেন, বিশেষজ্ঞদের দ্বারা

এমসিটিসির সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। তাতে এই মুরগির মাংসের গুণগত মান দেশি মুরগির মতোই দেখা গেছে। এমসিটিসির মাংসের স্বাদ ও পালকের রংও দেশি মুরগির মতো।

এসব কারণে আগে উদ্ভাবিত সোনালি বা ককরেল মুরগির তুলনায় এই মুরগির ভালো দাম পাবেন খামারিরা। এর বিপরীতে অন্যান্য মুরগির মতোই

এই মুরগি পালন প্রক্রিয়া হলেও মৃত্যুর হার খুবই কম। দেশে মাংসের চাহিদা পূরণে উদ্ভাবন করা এই মুরগির ওজন ৫৬ দিনে (আট সপ্তাহ) গড়ে এক কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

বিএলআরআইয়ের গবেষকরা জানান, বাজারে যেসব মুরগি পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর এক কেজি ওজন হতে প্রায় ৯০ দিন সময় লাগে। সেখানে ৫৬ দিনেই এই পরিমাণ ওজন পাওয়া সম্ভব নতুন জাতের মুরগিতে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিটি মুরগি খাবার খায় প্রায় ২.২০-২.৪০ কেজি।

‘এমসিটিসি মুরগিকে ‘দেশীয় ব্রয়লার’ আখ্যায়িত করে বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. আবদুল জলিল বলেন, সরকারি ৪টি এবং বেসরকারি

২টি ফার্মের মাধ্যমে সারা দেশে এই মুরগি ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে। চাহিদার ওপর ভিত্তি করে এ কার্যক্রম বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত করা হবে। সেটি পরিচালনা করবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *