আমা’র পুরুষত্ব নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লজ্জিত: ওম’র সানী

ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির নব্বইয়ের দশকের নম্বর ওয়ান হিরো ওম’র সানী। চলচ্চিত্রের এই জনপ্রিয় তারকা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা’ণ্ডেও সরব ভূমিকা রাখেন। পর্দার এই নায়ক বাস্তব জীবনেও মানুষের পাশে দাঁড়া

এবার প্রতিবাদী ভূমিকায় আবির্ভূত হলেন তিনি। চলমান বিরো,ধী আ’ন্দোলনে মাঠে থেকে প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে কুলি খ্যাত এই নায়ককে।এজন্য ওম’র সানীকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নেটিজেনরা। করো’নার ভ’য়কে উপেক্ষা করে নায়কের অন্যায়ের বি’রুদ্ধে এই রুখে দা্ড়া‌নোকে নিয়ে খুশি সানী ভক্তরা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আরটিভি নিউজকে ঢালিউডের এই সুপারস্টার বলেন, আসলে এটাকে আ’ন্দোলন বলবো না আমি। এটা নৈতিক দায়িত্ব। একটা পুরুষের।

আমি লজ্জিত আমা’র পু,রু্্‌‌্ত্ব‌ নিয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবেও লজ্জিত বোধ করেছি। অনেকেই অনেক প্রলাপ বকে কিছু মানুষ বলছে কাপড়ের জন্য এধরনের ঘটনা ঘটছে। পোশাকই বাড়াছে। এটা একটা বানোয়াট কথা

বিদেশের উদাহ’রণ টেনে ওম’র সানী বলেন, এটাই (পোশাক) যদি হতো তাহলে ইউরোপ আ’মেরিকাতে প্রতিদিন ধ’্র্ষ,‌ণ হতো ্ঞ্চা‌শ হাজার করে। কিন্তু তা তো হচ্ছে না। আর বিষয়টা হচ্ছে বলে কআইনটা যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়। এর আগে একজন ছাত্র সড়ক দুর্ঘ’টনায় মা’রা গেলো। তখন চারিদিকে গাড়ি নিয়ে কত সমস্যা হলো আমি নিজেও তো চারদিন বের হতে পারি নাই।

জন্য পোশাক মানসিকতা দায়ি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনের প্রয়োগ যদি প্রতিটি সেক্টরে সুষ্ঠভাবে হয় তাহলে কেন আরও অনেক কিছুই বাংলাদেশে থাকবে না। এটা হচ্ছে মূলত একটি কথা। আর পোশাকটা কোনো ফ্যাক্টর না। ফ্যাক্টরটা হচ্ছে মানসিকতা।

কেউ যদি পাগলের মতো বলে পোশাকটা ফ্যাক্টর এটা অ’ত্যন্ত বাজে একটা বিষয়। এখন মনে করেন যে খ্রি,স্টান মে’য়ে। ওদের তো কোনো হিজাবের বিষয় নেই। ওতো একটা ট্রাউজার বা টপস পরে বের হবে।

ওর বাবা-মা তো ওকে কিছু বলবে না। কেননা তারা সেই পোশাকেই অ,ভ্যস্ত। আমি অনেক মে’য়েদের লা’শ দেখেছি যাদের পরনে সালওয়ার কামিজ ছিলো, হিজাব ছিলো, তাকে কেন ধ’,র্ষ,ণ করা হলো। সুতরাং এটা মানসিকতার জন্যই হচ্ছে তা পরিষ্কার।

ক্ষমতার দাপটের বিষয়টির প্রসঙ্গ এনে ওম’র সানী বলেন, আর একটা জিনিস খ,র্ব করতে হবে। আমি ওম’র সানীর অ্যাসিস্ট্যান্ট আমি এই মে’য়েটাকে একটা কিস করলাম। এই ব্যাটা কী’ হইবো আমি ওম’র সানীর অ্যাসিস্ট্যান্ট? ওম’র সানী তো নাম করা হিরো।

এটা জানার পর যদি শাসনটা না করি তাহলে তো ও আরও অন্যদিকে ধাবিত হবে। সো দ্যাট আমা’র কর্তব্য হবে কী’? আমি যখন এটা শুনবো, আমি লাথি দিয়ে তাকে বের করে দেবো। তখনই কিন্তু তার রিয়ালাইজেশনটা হবে। যে না আমা’র বস তো এটা করেছে। সো এটাই মা’থায় নিতেই হবে সব সেক্টরে।

কদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে সহধ’র্মীনি মৌসুমীর সঙ্গে ‘দেবর আমা’র কত আপন’ নামে একটি চলচ্চিত্রে কাজ করতে যাচ্ছেন ওম’র সানী। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি কোনো ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হইনি। তারা (পরিচালক) বলতে পারেন। কিন্তু এখনও কাগজ পত্রে যেহেতু আমি সাইন করিনি সেহেতু আমি বলতে পারছি না।

মৌসুমী সাইন করেছে। মৌসুমী বলতে পারে। আমি সাইন করিনি সো এত উৎফুল্ল হওয়ার কিছু নাই। আমি যদি কোনো মুভিতে কখনো সাইন করি তাহলে আমি অবশ্যই সেই ব্যাপারে কথা বলবো। আর যেই পর্যন্ত ছবিটা আমি কনফার্ম করবো না কোনো কাগজ পত্রে। তখন পর্যন্ত ওই মুভির ব্যাপারে নো কমেন্টস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *