টানা সপ্তম বারের মতো চেয়ারম্যান হলেন তিনি

মাদারীপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টানা সপ্তম বারের মত বিজয়ী হয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করলো এক চেয়ারম্যান প্রার্থী। মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া

ইউনিয়নের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান হাওলাদার বিগত ৩৪ বছর ধরে চেয়ারম্যানের পদ দখল করে আছেন জনপ্রিয়তা দিয়ে। তিনি জানান জনপ্রিয়তাই আমার আত্মবিশ্বাস। জনগন সুযোগ দিলে আমরন জনসেবা করে যাব।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বিগত ৩৪ বছর (৬ বার) ধরে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়ে জন সেবা করে আসছেন মাদারীপুর সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদার।

গত কালকের ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা সপ্তম বারের মতো বিজয়ী হলেন তিনি। জনগনের ভালবাসাই তাকে টানা সাত বার চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে বলে জানা যায়।

বিগত ৬ বারে চেয়ারম্যান হয়ে জনগনের সেবা করে জনমনে স্থান করে নিয়েছেন তিনি। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হওয়ার কারনে শিরখাড়া এলাকাটি চরমপন্থীদের আখড়া হিসেবে পরিচিত ছিল এক সময়।

সে ১৯৮৮ সালে প্রথম চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকেই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজে হাত দেন তিনি। এখন সে এলাকাটি প্রায় চরমপন্থী শূন্যই বলা চলে।

তার জনসেবার গুনেই বা উন্নয়নমূলক কাজ কর্মের দ্বারাই তিনি জনগনের মনে স্থান করে নিয়েছেন তিনি। তাই এলাকার জনগন তাকে বার বার ভোট দিয়ে বিজয়ী করেন চেয়ারম্যান হিসেবে।

আমরন তাকেই চেয়ারম্যান হিসেবে চায় স্থানীয় জনগত।স্থানীয় লোকদের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা চেয়ারম্যান হিসেবে তাকেই চাই। কিছু লোক প্রতি বছরই তার প্রতিদ্বদ্ধী প্রার্থীকে সমর্থন করে।

তাদের সংখ্যা কম হওয়ায় মজিবর চেয়ারম্যান ই চেয়ারম্যান হয়। যদি সে এমনই থাকে তাহলে তাকে আমরা আমরন চেয়ারম্যান হিসেবে চাই। তার নিজের ব্যবসা আছে,টাকা আছে।ইউনিয়নে সে নির্বাচন করে শুধু জনগনের জন্য।চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, আমি ১৯৮৮ সালে প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। সে সময় এ এলাকায় সর্বহারার আখড়া ছিল। সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি এর সহযোগীতায় এলাকাকে সন্ত্রাস বা সর্বহারা মুক্ত করতে পেরেছি। বিগত ৩৪ বছর ধরে জনসেবা করে আসছি। এবার নির্বাচিত হয়ে সাত বার চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছি। জনগনের ভালবাসা ছাড়া এত বার বিজয়ী হওয়া যায় না। তই তাদের ভালবাসার মূল্য দিতে আজীবন জনগনের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *