পুড়ে যাওয়া লঞ্চটিতে অক্ষত কোরআন রাখা চায়ের দোকান

পুড়ে যাওয়া লঞ্চটিতে অক্ষত কোরআন রাখা চায়ের দোকান

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অগ্নিকাণ্ডে এমভি অভিযান-১০ নামক যাত্রীবাহী লঞ্চটি পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও রহস্যজনকভাবে অক্ষত রয়ে যায় লঞ্চের নিচ তলার একটি চায়ের দোকান।

আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে নিশ্চিত জানা না গেলেও ইঞ্জিন রুম থেকে চায়ের দোকানের দূরত্ব মাত্র ১৫ গজ।

এমন ঘটনায় অবাক সবাই। পরে চায়ের দোকানের ভিতরে পাওয়া যায় একটি পবিত্র কোরআন শরীফ। দিয়াকুল গ্রামের বাসিন্দা লুৎফর রহমান চায়ের দোকানের ভিতরের একটি তাক থেকে কোরআন শরীফটি তুলে নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, কোরআন শরীফের জন্যই লঞ্চটির সম্পূর্ণ ক্ষতি হলেও এই দোকানটির কোন ক্ষতি হয়নি।

বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ঝালকাঠি ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবক সজল দেবনাথ বলেন, ‘শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে আমরা যখন উদ্ধার কাজ করছিলাম, তখন দিয়াকুল গ্রামের একজন মুসল্লী কোরআন শরীফটি নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি ম’সজিদে দিয়ে দেয়।

একই গ্রামের ৬৫ বছর বয়সী শাহাদাত হোসেন বলেন, কোরআন শরীফটি আমাদের মসজিদে রেখে দেয়া হয়েছে।

তবে চায়ের দোকানের মালিক সেকেন্দার নিখোঁজ রয়েছে বিধায় দোকানে কেন কোরআন শরীফ রেখেছিলো সে তথ্য পাওয় যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *