যে ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন কর্নেল অলি

রাষ্ট্রপতির সংলাপসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম।

বুধবার বেলা ১১টায় রাজধানীর এফডিসিসংলগ্ন এলডিপির পার্টি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন হবে। সংবাদ সম্মেলনে অলি আহমদ ছাড়াও এলডিপির মহাসচিব

সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রেদোয়ান আহমদসহ দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেবেন কর্নেল অলি।

আরো পড়ুনঃ কাল ঢাকাসহ জেলায় জেলায় বিএনপির মানববন্ধন
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বাচনের ইতিহাসে ‘অন্ধকারাচ্ছন্ন দিন’ মনে করে বিএনপি। আট বছর আগের ওই নির্বাচনের দিনটিতে প্রতিবছরই নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে বিএনপি।

এরই ধারাবাহিকতায় এবারও আগামীকাল বুধবার রাজধানীসহ সারা দেশের জেলা সদরগুলোতে মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার সকালে কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ) বিএনপি। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি জেলা সদরেও একই কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানান তিনি।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ওই নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল না। সরকারের জোট ছাড়া বিরোধী দলসহ দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সেই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার গায়ের জোরে, জনগণকে ত্যাজ্য করে একতরফা নির্বাচন করেছিল। ভোটার ও বিরোধী দলের প্রার্থীবিহীন একতরফা বিতর্কিত, প্রতারণামূলক, হাস্যকর এবং শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ প্রহসনমূলক একদলীয় পাতানো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনেন রুহুল কবির রিজভী। সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে অস্ত্র হাতে যারা হামলা করেছে, তারা কারা? গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, এরা সবাই যুবলীগের কর্মী।

তারা এখনো ধরা পড়ছে না কেন? পটুয়াখালীতে বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ হামলা করে অনেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে, গুলি করে আহত করেছে, এরা কারা? গাজীপুরের সমাবেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল কেন? বাগেরহাটে ছাত্রদলের সমাবেশে বাধা দিয়েছিল কে? কক্সবাজার, নওগাঁ ও ফেনীতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে কেন? হবিগঞ্জে বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ শত শত নেতাকর্মীর ওপর গুলি করল কেন?

শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার অপরাধে বিভিন্ন জেলায় হাজার হাজার নেতাকর্মীর নামে মামলা হচ্ছে কেন? নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে কেন?’

ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমি কাদের সাহেবকে পরিষ্কার বলে দিতে চাই, কর্তৃত্ববাদী হিংসার শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশের মানুষ কঠিন সংগ্রামে অঙ্গীকারবদ্ধ। ভোটারবিহীন সরকারের দিন শেষ। ভোট ডাকাতির দিন শেষ। বাংলাদেশের জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নেমে গেছে। বিশ্ববিবেক জেগে উঠছে। মন্ত্রী, এমপি ও আমলাদের মতো পালানোর রাস্তাও তাদের খোলা নেই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.