ডিসি-এসপির সঙ্গে দেড় ঘণ্টা বৈঠক শেষে যা বললেন আইভী

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) নৌকার মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম মধ্যে বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত টানা দেড় ঘণ্টা জেলা প্রশাসকের রুমে ওই বৈঠক চলে। সন্ধ্যা ৭টায় বের হয়ে আসেন মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।

গণমাধ্যমকর্মীদের এসময় তিনি জানান, এটি রুটিন বৈঠক। আমার ঠাণ্ডা, গলা ব্যথা। কথা বলতে পারছি না। এর বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি। বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানান,

এরকম বৈঠক সব প্রার্থীর সাথে হচ্ছে এবং হবে। নির্বাচনী আচারণ বিধি ও নীতিমালা মেনে চলা এসব বিষয় নিয়েই প্রার্থীদের সাথে বৈঠক চলছে। এটি একটি চলমান রুটিনমাফিক প্রক্রিয়া। বুধবারও প্রার্থীদের সাথে এভাবেই বৈঠক হবে।

আরো পড়ুনঃ তৈমুরকে সমর্থন নিয়ে যা বললেন হেফাজতের মহাসচিব
হেফাজতে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান জাতীয় এবং স্থানীয় কোনো নির্বাচনে কোনো দল বা ব্যক্তির পক্ষে তাদের কোন সমর্থন নেই বলে জানিয়েছেন। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে সাজিদুর রহমান এ দাবি করেন।

হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানীর সাক্ষরে এ বিবৃতি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক ইসলাহী দ্বীনি সংগঠন। হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়া কোন কমিটি নেই। সকল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

মাওলানা সাজিদুর রহমান বলেন, জাতীয় এবং স্থানীয় কোনো নির্বাচনে কোনো দল বা ব্যক্তির পক্ষে হেফাজতের কোন সমর্থন নেই। এমনকি নারায়নগঞ্জ সিটি নির্বাচনেও কারো পক্ষে কিংবা বিপক্ষে হেফাজতের কোনো সমর্থন নেই। কেউ যদি কারো পক্ষে বা বিপক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায়

অংশগ্রহণ করে কিংবা সমর্থন করে তাহলে তা একান্ত তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এর সঙ্গে হেফাজতের কোন যোগসূত্র নেই। প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারকে সমর্থন জানিয়ে তার পক্ষে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছে

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর হেফাজতে ইসলাম। গত মাসে তৈমুর আলম খন্দকারের বাড়িতে গিয়ে হেফাজতে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান এ সমর্থনের কথা ঘোষণা দেন। এ সময় মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান বলেন,

তৈমুর আলম খন্দকার শুধু আমাদের প্রার্থী না, তিনি পুরো নগরবাসীর প্রার্থী। তার পক্ষে সবাই আছি। এই যে নামলাম, আমরা জয় না নিয়ে ঘরে ফিরে যাব না। শুধু আলেম-ওলামা নন, দলমত নির্বিশেষে সবাই তৈমুর আলম খন্দকারের পক্ষে আছেন এবং রাজপথে থাকবেন। হেফাজতের তরফে তৈমুর আলম খন্দকারকে সমর্থন দেওয়া নিয়ে দেশব্যাপী বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.