দুই বিদ্রোহীর কাছে বিপুল ভোটে হারল নৌকা

আজমল চৌধুরী হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বাহুবল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান। তার বাবা মরহুম নজমুল চৌধুরীও ছিলেন এই

ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। কিন্তু রহস্যজনক কারণে আজমল চৌধুরীকে এবার নৌকার মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। পরে তিনি হন বিদ্রোহী প্রার্থী।

নির্বাচনী প্রচারণার সময়ে তার বহরে হামলা করে হত্যা করা হয় তার এক কর্মীকে। এত প্রতিবন্ধকতার পরেও আজমল চৌধুরী ঘোড়া প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রিফাত ইসলাম মুরাদকে।সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আজমল চৌধুরী পান সাত হাজার ৪৭১ ভোট এবং নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রিফাত ইসলাম মুরাদ পান দুই হাজার ৩৯১ ভোট।

এদিকে, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নেও নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল খানকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়নি। নৌকার মনোনয়ন পান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. আব্দুস সামাদ। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বুলবুল খান ও তার স্ত্রী আছমা আক্তার উভয়ই স্বতন্ত্র প্রার্থী হন।

নির্বাচনে বুলবুল খান আনারস প্রতীকে পান পাঁচ হাজার ৮৪ এবং নৌকা প্রতীকের আব্দুস সামাদ পান দুই হাজার ১১৮ ভোট। বুলবুল খান দুই হাজার ৯৬৬ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হন। বুলবুল খানের স্ত্রী আছমা আক্তার ডামি প্রার্থী হিসাবে চশমা প্রতীক নিয়ে অংশ নিলেও ৫৯ ভোট পান।

এ ব্যাপারে বিজয়ী আজমল চৌধুরী ও বুলবুল খান বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের আদর্শে বিশ্বাসী ও ত্যাগী কর্মী। কিন্তু রহস্যজনক কারণে আমাদেরকে মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয়েছে। জনগণ বিপুল ভোটে আমাদেরকে নির্বাচিত করেছে আওয়ামী লীগ আমাদেরকে মনোনয়ন বঞ্চিত করা সঠিক হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.