উঠতি নায়িকা দীঘির ৮ম শ্রেণিতেই প্রথমবার

চাচ্চু’, ‘দাদী মা’, ‘পাঁচ টাকার প্রেম’সহ একের পর এক হিট ছবিতে শি’শুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি।

বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করার পর চলচ্চিত্র থেকে দূ’রে রয়েছেন তিনি। তবে এবার একবারে পাঁচটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

সেই ছোট্ট দীঘি এখন ষোলকলা যুবতী। স’ম্প্রতি ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’ নামের একটি ছবির শু’টিংও শেষ ক’রেছেন তিনি। তবে শু’টিং শেষ হলেও প্রথমবার হওয়ায় ভ’য়টা এখনো কাটেনি এই উঠতি নায়িকার।

তবে মাঝখানে প্রায় আট বছরের মতো ক্যামেরার বাহিরে ছিলেন এই নায়িকা। এসময় তার কাছে অনেক ছবি অফার আসে বলেও জা’নান তিনি। কিন্তু নিজেকে তৈরি করার জন্যই এই সময় নিয়েছেন বলে জা’নান দীঘি।

এদিকে ‘চাচ্চু’ সিনেমা তার ক্যারিয়ারে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বলেও উল্লেখ ক’রেছেন এই নায়িকা। তবে দীঘি এবার জা’নালেন এক অজা’না খবর।

তিনি যখন অষ্টম শ্রেণিতে প’ড়েন তখন থেকেই নায়িকা হওয়ার অফার আসছিলো তার কাছে। কিন্তু সব কিছুকে ছাপিয়ে অভিনয়ের জন্য নিজেকে তৈরি অবশেষে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন এই নায়িকা। দীঘির মা প্রয়াত দোয়েল ও বাবা সুব্রত দুজনই চলচ্চিত্র অ’ঙ্গনের পরিচিত মুখ। বাবা-মায়ের দেখানো পথ ধ’রেই ঢালিউড নায়িকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেন দীঘি।

আরও পড়ুন : তুলে দেয়া হচ্ছে দেশের বেসরকারি কলেজে’র অনার্স-মাস্টার্স কোর্স। তবে নতুন করে এসব প্রতিষ্ঠানে চালু করা হবে কারিগরি শিক্ষাসহ বিভিন্ন কোর্স। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমনটাই আভাস দিয়েছেন গতকালকের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে। ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে সরকারের শিক্ষামন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে।

কারণ হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জে’লায় জে’লায় বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছেন। কাজেই যারা অনার্স-মাস্টার্স করবেন তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই করবেন। আম’রা আর সনদধারী বেকার তৈরি ক’রতে চাই না। তবে ডিগ্রি পাস কোর্সের পাশাপাশি বিভিন্ন শর্টকোর্স ক’রতে করার চিন্তা রয়েছে সরকারের।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি অনার্স কলেজে লেখাপড়া করে চাকরি পান না অনেকে। প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে বিরাট একটা ব্যবধান তৈরি হয়, যারা এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যান তাদের মধ্যে হ’তাশা তৈরি হয়। অভিভাবকদের জন্যও এটি সুখকর নয়। সন্তানকে পড়ালেন, তাদের একটি চাকরির প্রত্যাশা থাকে, চাকরি হয় না। কোনও কিছু করবে সেটির প্রয়োজনীয় যোগ্যতা তারা অর্জন ক’রতে পারে না। সেসব নানা স’মস্যা সমাধানের উদ্যো’গ আম’রা নিচ্ছ।

সংশ্লি’ষ্ট সূত্রে জা’না গেছে, দেশে ৩১৫টি বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। এসব কলেজে’র ডিগ্রি স্তরের শিক্ষকরা বেতন-ভাতার অন্তর্ভূক্ত হলেও অনার্স-মাস্টার্স পর্যায়ে কোন সুযোগ সুবিধা পান না।

১৯৯৩ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি স্তর পর্যন্ত পরিচালিত এমপিওভুক্ত কলেজগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স চালূর অনুমোদন দেয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লি’ষ্ট কলেজে’র টিউশন ফি থেকে এসব শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেয়ার নির্দে’শনা দেয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এ কারণেই অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকের পদ কলেজগুলোর জনবল কাঠামোয় স্থান পায়নি।

ফলে খুব বেশি বাড়তি সুবিথধা পায়নি এ স্তরের শিক্ষকরা। এমপিওভুক্ত হওয়ার সুযোগ থেকেও বিঞ্চিত হয়েছেন তারা। এ স’মস্যা সমাধানে বিভিন্ন সময় দা’বি-দাওয়া জা’নিয়ে আ’সলেও তার সুরাহা হয়নি। এসকল শিক্ষকদের বিভিন্ন স’মস্যা সমাধানেও নানা বিচার-বিশ্লেষণ চলছে বলে মন্ত্রী জা’নান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *