গভীর রাতে ঢাকায় পরীরা নামে-পুরুষরা ঘরে যাও

সামাজিক ক্লাবগুলো নিয়ে ঝড় বয়ে গেল সং’সদ থেকে গণমাধ্যমে। ঢাকাই চলচ্চিত্রের খরাকবলিত সময়ে নায়িকা পরীমণি একাই কাঁপিয়ে দেওয়ার হিম্মত দেখালেন।

পরীমণিকে চিনি না। ঢাকাইয়া বাণিজ্যিক ছবি দেখা হয়নি তিন দশক। স’রকারের খয়রাতি সিনেমা’ও দেখা হয় না। তবে পরীমণির জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন আর উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরার খবর এবার বেশ রগরগে রকমে বের হয়ে এসেছে।

পচা শামুকে পা কে’টে সমাজের একজন সজ্জন মানুষ, সামাজিক ক্লাবের নেতৃত্বদানে ক্যারিশমাটিক সংগঠক নাসির ইউ মাহমুদ কা’রাগারে। পরীমণি ক্লাব বন্ধের পর গভীর রাতে ঢাকা বোট ক্লাবে গিয়ে মাতলামি,

ম’দের আবদার করলে বা’ধা দেওয়ায় নাসির ইউ মাহমুদের বি’রুদ্ধে হ’ত্যা ও ধ’র্ষণ চেষ্টার অ’ভিযোগ এনে মা’মলা দেন, এটা এক পক্ষের অ’ভিযোগ। আর পরীমণির অ’ভিযোগ তাকে জো’র করে সেখানে আ’ট’কে গ’লায় ম’দ ঢেলে দেওয়া হয়েছে, হ’ত্যা ও ধ’র্ষণ চেষ্টা করা হয়েছে।

পরীর কা’ন্না নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ও একটি টিভির পক্ষপাতমূলক ট’কশো দেখে একালের কিছু নারীবা’দীকে নিয়েও স’ন্দেহ জাগে- আসলেই তারা নারীবাদ বোঝেন কি না। পরীর পাশে সারাক্ষণ আছেন চয়নিকা চৌধুরী।

বলেছেন, পরী তার মে’য়ের মতো। চয়নিকা হতে পারেন পরীর মা খালা মাসি। সেটা বি’ষয় নয়। পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেছিলেন, পরী প্রায় রাতেই বের হন, নানান জায়গায় যান, গ’ন্ডগোল হয় এটা নতুন নয়। তাকে আলোচকরা আ’ক্রমণ করলেন। অ্যাংকরও নাখোশ। শিল্পী সমিতির সভাপতি বলেছিলেন,

পরী ঘটনা তাদের জানায়নি এবং তাদের প্র’তিবাদ করতে বলেনি। এতেও নারীবা’দী আলোচকরা নাখোশ। নারীবাদ মানে কি স’রকারি আইন ক্লাবের রুলস ভঙ্গ করে গভীর রাতে যে কোনো ক্লাবে গিয়ে অশোভন স্বেচ্ছাচারী দাম্ভিক বে’পরোয়া আচরণ? মাতলামি? গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাব অ’ভিযোগ করেছে আগের রাতে সেখানে ক্লাব ও বার বন্ধের পর পরী গিয়ে হাঙ্গামা ভা’ঙচুর করেছেন।

যে সদস্যকে ধরে অ’তিথি হয়ে যান তিনি শো’কজ খেয়েছেন এবং পা’লিয়েছেন সেই অঘটনের গভীর রাতে। অন্য সদস্যরাও বাড়ির পথ ধরেছেন ইজ্জত নিয়ে। পু’লিশ গিয়ে পরে পরীকে উ’দ্ধার করে। পরীর ফ্ল্যাটের ছবিসহ খবর এসেছে গণমাধ্যমে। বাপরে! এ যেন ফ্ল্যাট নয় ম’দের বার! এর স’রকারি অনুমতি আছে? বা ম’দ খাবার রাখার লাইসেন্স? একসময় বাচ্চাদের ভূতের ভ’য় দেখিয়ে ঘুম পাড়ানো হতো। সময় এসেছে পুরুষদেরও রাত ১১টার মধ্যে ঘরে আ’ট’কে রাখার। গভীর রাতে ন’ষ্ট সমাজে ঢাকায় পরীরা নামে, পুরুষকে তুলে নিয়ে যায় জে’ল হা’জতে।

পাপিয়াকে যদি তার অ’প’রাধের জন্য গ্রে’ফতার করা না হতো, যদি অ’ভিজাত হোটেল থেকে কেউ অ’পমান করে জো’র করে বের করে দিত তবে কী’ হতো তখন? এখন বুঝতে পারছি না। পরীর বোট ক্লাব রাতের ঘটনায় ত’দন্তে সত্য উদ্ঘাটন হোক, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। গণমাধ্যমের দায়িত্ব মিডিয়া ট্রায়ালে ত’দন্ত প্রভাবিত করা নয়, সত্য উদ্ঘাটন। আর সামাজিক ক্লাব নিয়ে মনগড়া কল্পনাপ্রসূত অ’পপ্রচার বন্ধ হোক। পরী ভাগ্যবতী। সিনেমা’র বাজার শেষ হলেও তার বাজার শেষ হয়নি। বিশাল ব্যয়বহুল বিলাসী জীবন উপভোগ করছেন, গভীর রাতের ঢাকা ও বিদেশকে নিয়মিত উপভোগ করছেন। আর নারীরা দেশে মেধা-শ্রমে জীবন-জীবিকার ল’ড়াই করছেন।

একসময় বাংলা সিনেমা লিজেন্ড তৈরি করত, হলে টানত দর্শক। এখন সিনেমা নেই, দর্শক নেই, তৈরি হন কারা জানে কানাঘুষা করা মানুষেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *